তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আমাদের অনেকগুলো রুটিন কাজ রয়েছে। তবে এ বছর নতুন সংযোজন মুজিববর্ষ। জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী দ্বিতীয়বার আসবে না। আমরা এটা সেলিব্রেট করবো এই কারণে যে, বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি আমাদের জাতির পিতা। তিনি বাংলাদেশকে একটি জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। সে লক্ষ্য নির্ধারণে মুজিববর্ষ পালন করবো।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করতে পারি, তাহলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। ফুলের মালা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে সম্মান প্রদর্শন করলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। বরং বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-ভাবনাগুলো যদি বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলেই তার প্রতি প্রকৃত সম্মান দেখানো হবে।’
কর্মকর্তা-কর্মচারীরর উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিববর্ষে কর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে আমরা একটা ইতিহাস গড়তে চাই। আপনাদের প্রতি অনুরোধ যে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি করছেন তা শুধু কাগজে কলমে না রেখে বাস্তবায়ন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান দেখাবেন।’
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৯৫.৩৪ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মার্চ পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।