বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়া সমর্থন অব্যাহত রাখবে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ী হাইকমিশনারঅস্ট্রেলিয়ার বিদায়ী হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সমর্থন অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, ‘গত এক দশকে বাংলাদেশ চমকপ্রদ আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটিয়েছে এবং আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।’
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) জুলিয়া নিবলেট গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে একথা বলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে জ্বালানি এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার বনভূমিতে দাবানলের পরিস্থিতি সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশে ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।’
পরে শ্রীলঙ্কার বিদায়ী হাইকমিশনার এ ডব্লিউ জে ক্রিসান্থে ডি সিলভাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন বলে প্রেস সচিব উল্লেখ করেন।
বৈঠকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা সব সময়ই তার প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।’
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কখনও কাউকেই আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্যদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেবো না।’
শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার বাংলাদেশে তার অবস্থানকালীন সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প এবং বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন। খবর বাসস।