নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা অতিথিকে দাওয়াত দিয়েছি এবং আমরা তার সম্মান রাখবো। পাশাপাশি আমরা আশা করবো আমাদের অতিথিরা এদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও উদ্বেগের বিষয়ে সজাগ থাকবেন। এমন আচরণ করবেন, যাতে করে আমাদের জনগণ খুশি হয়।
সোমবার (২ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে যাদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে মোদি সবচেয়ে বেশি সম্মানিত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সৌজন্য সাক্ষাতে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি কবে নাগাদ হবে এ বিষয়ে পরিষ্কার কোনও জবাব দিতে পারেননি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব।
সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আমি তিস্তার বিষয়টি উঠিয়েছি এবং তিনি (শ্রিংলা) বলেছেন এটি ফয়সালা হয়ে আছে। কিন্তু, কিছু ছোট ছোট বিষয়ে আটকে আছে। এ বছর তিস্তা চুক্তি হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সঠিকভাবে বলেননি এটি কবে হবে।
তবে মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য ৬টি নদীর বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদান হবে। মোদির সফরের সময় এসব তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাবনা আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের সময় দুই দেশ নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছিল পানি বণ্টনের বিষয়ে। এবার ৬টি নদীর বা এক বা একাধিক নদীর পানি বণ্টনের তথ্য আদান-প্রদান হতে পারে।
সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, গত বছর থেকে এটি (সীমান্ত হত্যাকাণ্ড) অনেক বেড়েছে। এটি জনগণ গ্রহণ করে না।’
এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসি নিয়ে জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র সচিব আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেছেন এটি আমাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না। ‘আমি জানতে চাইলাম তোমাদের ভারত দুর্বল হচ্ছে কিনা এবং তিনি (সচিব) তার বক্তব্য দিলেন,’ যোগ করেন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
মোদির ঢাকা সফরের প্রস্তুতি: পাকিস্তানি তৎপরতায় চিন্তিত ভারত
দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা চালানো হয়েছে: মমতা
নির্লজ্জ ফ্যাসিস্ট মোদি সরকার মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে: অরুন্ধতী