সরেজমিন দেখা যায়, বুধবার (১০ জুন) বেলা ১২টার দিকে পাঁচটি ভ্যান ওই এলাকায় প্রবেশ করে। ভ্যানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচা সবজি, চাল, ডাল, তেলসহ ফলমূল দেখা গেছে। এছাড়া আরও তিনটি কাভার্ড ভ্যান প্রবেশ করার কথা রয়েছে। ভ্যানচালক ও বিক্রেতাদের পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী) পরানো হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে জীবাণুনাশক স্প্রের বোতলও। বিষয়টি তদারকি করছেন সরকারের আইসিটি ডিভিশনের কর্মকর্তা, স্থানীয় কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
এ বিষয়ে আইসিটি ডিভিশনের কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লকডাউনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডে একটি কন্ট্রোল রুম গঠন করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিটি মেয়র, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রজেক্ট আইসিটি ডিভিশনের উদ্যোগে আমরা ভ্যানে খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি। ভ্যান ও মিনি ভ্যান স্যানিটাইজ করে এবং চালকদের শরীরের তাপমাত্রা মেপে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ভ্যানগুলো প্রতিটি বাসার নিচে যাবে। সবাই এখান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নিতে পারবেন। যাদের কেনার সামর্থ্য নেই তাদের জন্য কন্ট্রোলরুম থেকে আলাদা ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ রোগটি ছড়ানোর ক্ষমতা সাধারণত ১৪ দিন ধরা হয়। এ কারণে পূর্ব রাজাবাজার আপাতত ১৪ দিন লকডাউন বন্ধ থাকবে। তারপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ২১ দিন পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থা থাকতে পারে।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে পূর্ব রাজাবাজার লকডাউন
পূর্ব রাজাবাজার লকডাউন রাখতে নামছে সেনাবাহিনী