রবিবার সকালে এক সপ্তাহ লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারির পর পরই অমর একুশে বই মেলা চলবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। যদিও নতুন সময় সকাল ১২ টা থেকে বিকাল ৫টা নির্ধারণ করা হয়েছে সেই প্রজ্ঞাপনে।
স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, জনগণকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়ার পরও কেন বইমেলা বন্ধ করা গেলো না? এটি সম্প্রতি জারিকৃত ১৮ দফা নির্দেশনা পরিপন্থি কিনা।
করোনা ঠেকাতে যখন এত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তখন কেন বইমেলার মতো জনসমাগমের জায়গা বন্ধ করা গেল না প্রশ্নে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বন্ধের কথা বললে গণমাধ্যম বিপক্ষে কথা বলে, খুলে রাখলে বন্ধের দাবি তোলে। আমাকে এই ডিলেমা থেকে মুক্তি দেন। গত কয়েকদিন গণমাধ্যমে একাডেমি নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা খোলা রাখছি। যে প্রকাশক খরচ চালিয়ে স্টল খোলা রাখতে পারবেন তারা রাখবেন।আমিতো কাউকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আসছি না।
জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির নির্বাহী পরিচালক ও ভাষাচিত্রের প্রকাশক খন্দকার সোহেল বলেন, আমাদের যারা স্টলকর্মী রয়েছেন তাদের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে আসার ব্যবস্থা করা সম্ভব না। গণপরিবহন যখন বন্ধ থাকছে এবং মানুষজনকে বাসায় থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে বইমেলা বন্ধ করে দেওয়াটাই যৌক্তিক ছিল।
যদিও জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ সরাসরি কোনও মন্তব্য না করে বলেছেন, আপাতত এসব নিয়ে মন্তব্য করছি না। কারণ করোনা আনপ্রেডিক্টেবল হয়ে উঠেছে। কী যে করা ঠিক হবে বলা মুশকিল। প্রকেশকরা কীভাবে দিনের স্টল খরচ চালাবেন বা বিক্রি না হলে কী হবে সেই প্রশ্নের জবাবে ডিজির সুরেই তিনি বলেন, যারা ব্যয় বহন করতে পারবেন তারা আসবেন যারা পারবেন না তারা আসবেন না।
আরও পড়ুন-