বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী নেপালি চিকিৎসকদের সঙ্গে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমানের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) নেপালের কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে এ আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী নেপালি চিকিৎসক ও পেশাজীবীদের নিয়ে একটি বৃহত্তর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বা প্ল্যাটফর্ম গঠনের পথ সুগম করা; যাতে দূতাবাসের সমন্বয় ও সহায়তায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা যায়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি নেপালি সমাজ ও অর্থনীতিতে চিকিৎসা পেশাজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করে দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে একটি অ্যালামনাই কমিউনিটি/অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং তিনি উল্লেখ করেন, এর পূর্ণ সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের পথে অনুষ্ঠানটিকে একটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
১৯৭০ এর দশকের গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের সদ্য স্নাতকসহ প্রায় ৮০ জন জ্যেষ্ঠ ও নবীন চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশাজীবী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বাংলাদেশে থাকাকালীন সময়ে তাদের শিক্ষাজীবন, পেশাগত এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন তারা। একইসঙ্গে প্রস্তাবিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সম্পর্কে গঠনমূলক মতামত ও প্রস্তাবনা দেন; যা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের দৃঢ় সংযোগ ও বাংলাদেশ নিয়ে তাদের গভীর আগ্রহের প্রতিফলন। রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের মতামত গুরুত্বসহকারে নোট করেন।
অনুষ্ঠানটি নৈশভোজের মাধ্যমে শেষ হয়; যেখানে অতিথিরা ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার উপভোগ করেন। দূতাবাস সব অতিথির সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং দুই দেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ ও অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।