চাঁদাবাজি যদি কেউ কর‍তে আসে, সে সুযোগ নেই: শেখ রবিউল আলম

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না, অথবা তাকে সেটা দিতে বাধ্য করা হয়। সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা। তিনি বলেন, ‘‘সে টাকা তারা তাদের কাজে বা কল্যাণ কাজে ব্যবহার করে। তবে এমনিতে কেউ যদি চাঁদাবাজি করতে আসে, সে সুযোগ নেই।’’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটাকে বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো।’’ 
 

‘‘মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয়, সেটা নিয়ে হয়তো বিতর্ক আছে। কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে,’’ বলেন তিনি।

মন্ত্রী রবিউল আলম আরও বলেন, ‘‘শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে, মালিকদের বা দলের প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ, তারা সমঝোতা ভিত্তিতে করছে।’’

‘‘কিন্তু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে, সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে, সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখবো যে, সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন কিনা এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কিনা,’’ যোগ করেন তিনি।