চীনের সঙ্গে শিল্পায়নভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল তিতুমীর বলেছেন, বিনিয়োগ বাড়লে উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। সেই রাজস্ব দিয়েই স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য জনসেবামূলক খাতে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে মূলত বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশ সফরের সময় প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য অনেক বড় হলেও এখন প্রয়োজন শিল্পায়নভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো। আমরা চাই, ঋণের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে বিনিয়োগের সংস্কৃতিতে যেতে।

এই লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার, চীনা সরকার এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা বা ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিতুমীর।

তিতুমীর বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে এগোয়। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে একটি আস্থা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ঋণনির্ভরতা থেকে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়নভিত্তিক প্রবৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন এই তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি।

সরকারের লক্ষ্য এমন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, যা দীর্ঘমেয়াদে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে সহায়ক হবে।