বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন

আচরণ বিধি প্রতিপালনে ২০ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত 

আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন। এ উপলক্ষে নির্বাচনি আচরণ বিধি প্রতিপালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনের জন্য এ ২০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বগুরা ও শেরপুরের নির্বাচনি মাঠে কাজ করবেন।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষর করা এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনি এলাকার শূন্য আসনের এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন ঘিরে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনের জন্য ৪ মার্চ থেকেই প্রতিটি উপজেলা বা নির্বাচনি থানায় ন্যূনতম দুই জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় ভোটগ্রহণের চার দিন আগে থেকে দুই দিন পর পর্যন্ত—অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত—আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিশেষ করে বিজিবির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় মোট ১০ জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে দুই আসনে মোট ২০ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ও অবস্থান, ওয়ার্ড বিন্যাসসহ বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা সমন্বয় করতে পারবেন। সে অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যাও সমন্বয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, আচরণ বিধি প্রতিপালনের পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হলেও একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন। আসনটি শূন্য হওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।

অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে আগের নির্বাচনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। নতুন তফসিল অনুযায়ী সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর মো. মিজানুর রহমান।