পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের বর্ডারগার্ড খুবই শক্তভাবে পুশইন ঠেকাচ্ছে। কোনোভাবেই পুশইনকে আমরা এলাও করছি না। এখানে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে একটি ব্যবস্থা আছে, একটা মেকানিজম আছে। সব দেশের সঙ্গে সে মেকানিজমটা থাকে যে, আমাদের যখন কোনও নাগরিক অবৈধভাবে কোনও দেশে যায় তাকে ফেরত আনার। নাগরিকত্ব যাচাই-বাচাই করে ফেরত আনার একটা প্রক্রিয়া আছে, একটা মেকানিজম আছে। যেটা বাংলাদেশে অনুসরণ করে, বাংলাদেশের জায়গা থেকে, ভারত অনুসরণ করে ভারতের জায়গা থেকে। সেই মেকানিজমটা ফলো না করে যদি এই পুশইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাউকে ঠেলে দেওয়া হয় সেটা কিন্তু এভাবে গ্রহণযোগ্য না।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ১২ থেকে ১৩টা চিঠি দিয়েছি দিল্লিতে। ভারতে দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। বিজিবি সজাগ আছে এবং কোনোভাবেই এটা আমরা গ্রহণ করছি না। সম্প্রতি আমরা চেন্নাই থেকে ৩৪ জনকে ফেরত এনেছি। অবৈধ নাগরিকদের আদান-প্রদানে দুই দেশেরই একটি মেকানিজম বিদ্যমান আছে। সেই বিদ্যমান মেকানিজমটা, ডিপ্লোমেসিটা অবলম্বন করেই ভারতকে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে হবে। কথা বলতে হবে। আমরা যতরকম ডিপ্লোমেটিক আছে সেটা আমরা ফলো করছি। যখনই পুশইনের ঘটনা আমাদের কানে আসছে বা আমরা দেখছি রিপোর্টিং হচ্ছে, আমরা কিন্তু তাদের চিঠি দিচ্ছি। আমরা আশা করবো, ভারত সরকার এটা সিরিয়াসলি নেবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের কাজটি তারা সমাধান করবে। কোনোভাবেই পুশইনের মাধ্যমে যদি তারা করে তাহলে অবশ্যই সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এভ্রি কেস এভ্রি ইভেন্ট ডিফারেন্ট। একটার সঙ্গে আরেকটা জড়িত না। ভারতের সরকার যদি এটা সিরিয়াসলি নেয়, তাহলে আমাদের জন্য সম্পর্কটা এগিয়ে নেওয়া যায় অনেক সহজ হবে।