বাজেটে শোনা গেল ফ্লাডওয়ালের ঘোষণা, এটা আসলে কী?

ফ্লাডওয়াল হলো বন্যার পানি ঠেকানোর জন্য নির্মিত একটি শক্ত, সাধারণত কংক্রিট, ইস্পাত বা ইটের স্থায়ী দেয়াল। এটি নদী, খাল, সমুদ্রতীর বা নগর এলাকার পাশে তৈরি করা হয়— যাতে পানি জনবসতিতে ঢুকতে না পারে। বাংলাদেশে এর প্রচলন কম, তবে একেবারেই নেই তা নয়। কিছু শহুরে এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ, ওয়াকওয়ে বা তীররক্ষা প্রকল্পের অংশ হিসেবে কংক্রিটের রিটেইনিং ওয়াল বা সীমিত আকারের ফ্লাড-প্রোটেকশন ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু নেদারল্যান্ডস বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো দীর্ঘ ও সমন্বিত ফ্লাডওয়াল ব্যবস্থা বাংলাদেশে গড়ে ওঠেনি।

এমন বাস্তবতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের সঙ্গে ফ্লাড- ওয়াল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২০২৬-২৭ বছরের বাজেট ঘোষণা সময় তিনি বলেন, ‘‘সমন্বিত ও সার্বিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তাই বন্যা নিয়ন্ত্রণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত এবং ফ্লাড-ওয়াল নির্মাণ করা হবে।’’

ফ্লাড-ওয়াল সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয়, যখন জায়গার স্বল্পতার কারণে বড় মাটির বাঁধ নির্মাণ সম্ভব নয়।

ফ্লাড-ওয়াল দেখতে অনেকটা উঁচু কংক্রিটের দেয়ালের মতো। বাংলাদেশে ফ্লাড-ওয়ালের তুলনায় বাঁধ, পোল্ডার উপকূলীয় বাঁধ এবং নদী তীররক্ষা প্রকল্প অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়।