প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, একজন জাইমা রহমান আর একজন অন্য কোনও রহমান বা অন্য কোনও নারী— এই সমাজে, রাষ্ট্রের কাছে সমান অধিকার প্রাপ্য। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা তার স্ত্রী অথবা একজন সাধারণ মানুষ, আমরা যারা আছি বা যে কেউ অত্যন্ত প্রান্তিক কোনও নারী, কারও কন্যা কারও স্ত্রী রাষ্ট্রের কাছে সমান অধিকার রাখেন। তিনি বলেন, ‘‘কোনও ধরনের কুৎসা নোংরা কথা এই সরকার সহ্য করবে না।’’
মঙ্গলবার (২৩ জুন) তথ্য অধিদফতরে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আমি আগেও বলেছি, এই রাষ্ট্র, এই সরকার সেই সমান অধিকার রক্ষা করার জন্য, আমরা কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড কাজ করছি, এই ধরনের কুৎসা নোংরা কথা এই সরকার সহ্য করবে না।’’
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘নারী হলেই না কতগুলো এক্সট্রা কথা এসে হাজির হয়। এটা পুরুষদের ফেস করতে হয় না। আমিও প্রচুর গালিগালাজ খেয়েছি। আমি অ্যাক্টিভিস্ট ছিলাম। এখন সরকারে আছি, সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু নারী হলে কতগুলো বীভৎস কথাবার্তা নিয়ে হাজির হওয়া হয়। এগুলো আমরা থামাবো। আমরা এগুলো কগনিজেন্সে নেবো এবং নিশ্চিত করবো— কোনও নিরাপরাধ মানুষ যাতে জড়িত না হয়, অবশ্যই তিনি কোনও সমস্যায় পড়বেন না।’’
এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, ‘‘কোনও একটা ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান কারও পক্ষে এভিডেন্স দিচ্ছে, তার মানে এটা সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে তা না। আমাকে অন্যভাবে নেবেন না প্লিজ। ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্ব আমাদের সমাজে এখন তৈরি হয়েছে, কিন্তু একটা রাষ্ট্র কাজ করবে তার মতো করে। একটা রাষ্ট্র কারও ওপরে কোনও অন্যায় অবিচার করবে না, কোনোভাবেই করবে না। যে ছাত্রের কথা বলছেন, সেটা যদি এরকম হয়ে থাকে যে, এটা আসলেই এডিট করা ছিল, এখন কেউ একজন বলেছে— সেটাকে ভিত্তি করে আসলে রাষ্ট্র কাজ করবে না। এটা মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রের মেকানিজম আছে, সেটা চেক করার মতোএক্সপার্টিস আছে। এই যে স্ক্রিনশটের কথা বলছেন, সেটা যদি ফেক হয়ে থাকে, সেটাকে দেখে সেটার ভিত্তিতে কাজ করে ব্যবস্থা নেবে। এতে কোনও রকম সমস্যার কিছু নাই।’’
তিনি বলেন, ‘‘এখন যখন রাষ্ট্র কগনিজেন্সে নিয়েছে, রাষ্ট্র যখন সেটার পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে, সেটার জন্য সবকিছু গ্র্যাজুয়ালি আসবেই, আসতেই হবে। এই সরকার জনগণের ওপরে কোনও অন্যায় আচরণ যেন না হয়, সেটা নিশ্চিত করে কাজ করছে।’’