মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা ও মিয়ানমার হয়ে করিডোর নিয়ে যা বললেন মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে পদ্ধতিগত কারণে তা খুলতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেছেন, ‘এটা আসলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ওনাদের অভ্যন্তরীণ যে নীতিমালা রয়েছে, সেই ইন্টারনাল প্রসিডিউর ফলো করার পরে যত দ্রুত সম্ভব যদি কোনও দেশের মার্কেট ওপেন করা হয়, তবে বাংলাদেশকে ফাস্ট-ট্র্যাক করা হবে। প্রায়োরিটাইজ করা হবে।’

শুক্রবার (২৬ জুন) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলা ট্রিবিউন ‘মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার শিগগিরই খোলার সম্ভাবনা নেই’ শীর্ষক প্রতিবেদন করেছিল।

মাহদী আমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের এটি একটা অন্যতম স্বার্থের জায়গা, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর একান্তে কথা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবং তার আলোকে ডেফিনেটলি আমাদের যে রিকোয়েস্টগুলো রয়েছে উনারা ফাস্ট-ট্র্যাকে যতটা আন্তরিকতার সঙ্গে যতটা সহমর্মিতার সাথে রয়েছে সেটাকে প্রসিড করার চেষ্টা করবেন, ইনশাআল্লাহ।’

মিয়ানমার হয়ে করিডর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে তো অবশ্যই আমরা চাই ব্যবসার প্রসার হোক। বাণিজ্যে প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে, ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। পরবর্তী সময়ে, এটা তো এখনও একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি। প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি করা হবে। বাট ইন জেনারেল আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনও দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ-ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট, একটা অবারিত উৎসব তৈরি হবে। আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে হয়তো বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি।

এটা একটা ‘বিশাল মহাপরিকল্পনা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে, সামনের দিনগুলোতে এটি নিয়ে ডিটেইল স্টাডি করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।