স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিকাল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। এ কারণে স্পিকার পদ শূন্য হয়ে যায়। একইভাবে সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকারের পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গেসঙ্গে তার স্থলে দায়িত্ব পান ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে দায়িত্ব গ্রহণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আপনারা জানেন যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি, যদি প্রয়োজন হয়। একইভাবে আমাদের ডেপুটি স্পিকার সাহেব তিনিও যখন ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নেন।’
তিনি জানান, শপথের অংশে বর্ণিত থাকে, কোনও কারণে যখন স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে, তখন ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় বলা হয়, স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা তিনি রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করলে কিংবা অন্য কোনও কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলে সংসদ নির্ধারণ করলে স্পিকারের সব দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করবেন, কিংবা ডেপুটি স্পিকারের পদও শূন্য হলে সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি-অনুযায়ী কোনও সংসদ-সদস্য তাহা পালন করবেন; এবং সংসদের কোনও বৈঠকে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারও অনুপস্থিত থাকলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোনও সংসদ-সদস্য স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।
অর্থাৎ, সংবিধান অনুযায়ী বিকাল ৫টা ১ মিনিট থেকে সয়ক্রিয়ভাবে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।