বোয়িং কেনায় তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক চাপ পড়বে না: তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশ বিমানের জন্য নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনায় দেশের অর্থনীতির ওপর তাৎক্ষণিক বড় চাপ পড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বোয়িং কেনার অর্থ একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে না। দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে মূল্য পরিশোধ করা হবে এবং উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ পেতেও সময় লাগবে। 

দেশের অর্থনীতি এখনও চাপে থাকা অবস্থায় নতুন উড়োজাহাজ কেনা কতটা যৌক্তিক— সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সরকার একটি দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পেয়েছে, তবে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সংকটের মধ্যেও চালিয়ে যেতে হয়।” 

তিনি বলেন, “নতুন বোয়িংয়ের অর্ডারের কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল অর্থ পরিশোধ করতে হবে এমন ধারণা সঠিক নয়। আমরা বিশ্বাস করি, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং প্রয়োজনীয় উড়োজাহাজ কেনার অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে না।” 

আগের সরকারের সময় এয়ারবাস কেনার আলোচনা থাকলেও বর্তমান সরকার বোয়িংকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বোয়িং পরিচালনা করছে। ফলে বোয়িংয়ের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল ও প্রয়োজনীয় সাপোর্ট সিস্টেম আগে থেকেই রয়েছে। এ কারণে বোয়িংয়ের প্রতি কিছুটা ঝোঁক থাকা স্বাভাবিক।” তবে এয়ারবাসকে বাদ দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত নেই বলেও জানান তিনি। 

তথ্য উপদেষ্টা জানান, ইউরোপীয় পক্ষের সঙ্গে এয়ারবাস কেনা নিয়েও আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে এয়ারবাস থেকেও উড়োজাহাজ কেনা হতে পারে।