মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বড় ধরনের যুদ্ধ ও বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় তার প্রভাব বিবেচনায় বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সরকার আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক সংকটের পাশাপাশি জলবায়ুগত ঝুঁকিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তথ্য উপদেষ্টা জানান, কয়েক দিন আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, এল নিনো আরও তীব্র হলে বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদন কমা, দুর্যোগ বৃদ্ধি এবং খাদ্যের দাম বাড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশের সরকারি খাদ্য মজুত বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। প্রয়োজন হলে মজুদ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে শুধু জ্বালানি নয়, বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সারও পরিবহন হয়। ফলে যুদ্ধ বড় আকার ধারণ করলে জ্বালানির পাশাপাশি সারের আন্তর্জাতিক সরবরাহেও প্রভাব পড়তে পারে।
দেশের গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় সার কারখানার উৎপাদনেও চাপ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণেই সার ও খাদ্য দুই ক্ষেত্রেই মজুত ঠিক রাখার চেষ্টা করছে সরকার।









