ঐতিহাসিক মুজিবনগরের গুরুত্ব দেশে-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে সেখানে পাথরের পরিবর্তে পিতলের বিভিন্ন ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথায় উজ্জ্বল এ স্থানটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের ব্যাপকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে মুজিবনগরে স্থলবন্দর চালুর এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছে ।
মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান উল্লাহ জানান, মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বড় মানচিত্র প্রকল্পের কাজ ২০১১ সালে সম্পন্ন হয়। ভাস্কর্য মুজিবনগর চালুকরণ প্রকল্পের নির্মাণের কাজ ২০১৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের কিছু সংশোধন হওয়ায় তা সম্পন্ন করা যায়নি। পাথরের ভাস্কর্য নষ্ট হয়ে যায় বলে এই প্রকল্পে পাথরের পরিবর্তে পিতলের তৈরি বিভিন্ন ভাস্কর্য নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
আরও পড়তে পারেন: ‘জগন্নাথ হলের ঘাসে আমাদের রক্তমাখা’
ইতিমধ্যে শত কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে নানা অবকাঠামো উন্নয়নসহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতি মানচিত্র ও জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
এছাড়া পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পর্যটন মোটেল ও শপিং মল, সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে শিশু পল্লী, ধর্ম মন্ত্রাণালয়ের অর্থায়নে মসজিদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ডাকঘর ও টেলিফোন অফিস, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও হেলিপ্যাড এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ৬ দফা ভিত্তিক গোলাপ বাগান নির্মাণ করা হয়েছে। খবর বাসস।
/এসটি/