জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ের আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া জাইমা রহমানের বায়োতে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বায়োতে বলা হয়েছে, জাইমা রহমান যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতিবিষয়ক পেশাজীবী। তিনি লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন ও রাজনীতি বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ব্যারিস্টার হিসেবে কাজের যোগ্যতা অর্জন করেছেন দ্য অনারেবল সোসাইটি অব দ্য ইনার টেম্পলের মাধ্যমে। বাংলাদেশে আইন পেশায় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়াও তিনি সম্পন্ন করছেন।

তার পেশাগত অভিজ্ঞতার বিষয়ে বায়োতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে আবাসন, সামাজিক কল্যাণ ও কর্মসংস্থান আইন নিয়ে কাজ করেছেন জাইমা রহমান। স্বাস্থ্যসেবা খাতে আইনি পরামর্শ ও জনসংযোগের কাজের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণ ও শিক্ষা আইন বিষয়ে বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সেবাও দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে সায়েদ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে কাজ করার সময় সাংবিধানিক, করপোরেট ও বাণিজ্যিক আইন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব এবং করসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করেছেন জাইমা রহমান।

বায়োতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান সুরভির পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত ও স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি।

জাইমা রহমানের আগ্রহের ক্ষেত্র হিসেবে সুশাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, শিক্ষা, লৈঙ্গিক সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে মোট ৪০ জন দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।