আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময় ও ধাপ নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
কমিশনের ১৩-তম এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এছাড়া বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
ইসি জানায়, প্রস্তাবিত এই কমিশন সভার আলোচ্যসূচিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান আলোচ্য হিসেবে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন এবং সারা দেশে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার পরিকল্পনা ও সময় নির্ধারণ। এছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের প্রশাসনিক ও আর্থিক গতিশীলতা ফেরাতে সেখানকার কর্মকর্তাদের ক্ষমতা অর্পণ ও বণ্টন নিয়েও বিস্তারিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
ইসির ঘোষিত সভার এজেন্ডা থেকে জানা যায়, আজকের বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ ছাড়াও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ এবং পারসোনালাইজেশন সেন্টারের যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, কার্ড ছাপানো, বকেয়া বিল পরিশোধ ও নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন ও বিবিধ বিষয় রাখা হয়েছে।
ইসি সূত্র বলছে, আজকের বৈঠকে তারিখের পাশাপাশি তফসিল ঘোষণা করার সময়ও কমিয়ে আনার বিষয় আলোচনা করবে ইসি। সাধারণত ভোটের জন্য ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে এবার সময় স্বল্পতার কারণে এই সময় কমিয়ে আনার চিন্তা করছে কমিশন। এবার ৩০ থেকে ৩৫ দিন সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করার চিন্তা করা হচ্ছে। তাছাড়া প্রচারের জন্যও ১৫ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে কমিশন।