গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, স্কুলটির অন্যান্য শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বারিধারার ৮ নম্বর রোডের একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়তে পারেন: তুর্কি রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই
এসআই ওবায়দুর বলেন,‘স্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষকদের পক্ষে একজন শিক্ষক একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এরপর ওই শিক্ষিকাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিযোগকারী অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি থানায় আছেন। পাকিস্তানি দূতাবাসের কর্মকর্তারও রয়েছেন। অভিযোগটি ওসি স্যারের কাছে। তবে কোনও জিডি বা মামলা হয়নি। তবে মামলা হতে পারে।’
এসআই আরও বলেন, ‘স্কুলটির টাকা-পয়সা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধ। ওসির কক্ষে বাদি ও বিবাদিদের নিয়ে আলোচনা চলছে।’
আরও পড়তে পারেন: জামায়াত এখন কোন পথে এগোবে?
ঘটনাটি পাকিস্তানি দূতাবাস জানার পর প্রধান শিক্ষিকা ইয়াসমিন রাজবয়কে ছাড়িয়ে নিতে তারা তৎপরতা শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একজন ডেপুটি হাইকমিশনার গুলশান থানায় আসেন। তাকে নিয়েই সন্ধ্যার পর বৈঠকে বসেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
গুলশান থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, কিছুদিন ধরে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে ওই স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বুধবার পরিস্থিতি খারাপ দেখে পাকিস্তানি ওই নারী চলে যেতে চাইছিলেন। পরে অন্যান্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা তাকে বাধা দেয়। বুধবার সারারাত তিনি ওই বাসায় অবস্থান করেন। বৃহস্পতিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করলে দুপুরের পর গুলশান থানা পুলিশ তাকে ওই বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে আসেন।
/এআরআর/এনএস/ এসএম/