আলবদর নেতা মীর কাসেম আলীসহ ৬ শীর্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনের রাত দশটার পর, তিনজনের রাত বারোটার পরে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে, কাশিমপুর কারাগারে এই প্রথমবারের মতো কোনও মানবতাবিরোধী অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এর আগে কার্যকর হওয়া ৫টি ফাঁসির সবকয়টিই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কারাগার ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোড থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জে নেওয়া হয়েছে। ওই সময় মীর কাসেম আলী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকলেও স্থানান্তরের আগে তাকে কাশিমপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে আপিল বিভাগে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টা ৩৫ মিনিটে আলবদর নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরআগে ২০১৬ সালের ১০ মে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আলবদরের নেতা ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর হয়। আর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে একসঙ্গে আল বদর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও একাত্তরের নৃশংস হত্যকারী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল শনিবার রাত ১০টা ১ মিনিটে মানবতাবিরোধী অপরাধী কামারুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয়। সর্বপ্রথম ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাত ১০টা ১ মিনিটে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
আরও পড়ুন: আলবদর মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর
/ইউআই/এনএস/এমএনএইচ/