ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, ‘হত্যার পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামার সঙ্গে অবস্থান করে উজ্জ্বল। সেখানে থেকে সে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সদস্যদের তথ্য সরবরাহ করে। তার কাছ থেকে তথ্য পেয়ে খুনিরা গামাসহ অন্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত মাহবুবুর রহমান গামার বাবা মতিউর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামি করে বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্তের এক পর্যায়ে উজ্জলের বিষয়ে তথ্য পান গোয়েন্দারা।
গত বছরের ১৩ আগস্ট রাতে বাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্প এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাড্ডার ছয় নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মোল্লা ও ব্যবসায়ী ফিরোজ আহমেদ মানিক। একই ঘটনায় গুলিতে আহত ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান গামা চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন এবং ১০দিন পর ২৩ আগস্ট রাতে মারা যান গ্যারেজ মালিক ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা আবদুস সালাম।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মেহেদী, কাওসার, আরিফ, পবন, পুলক ও উজ্জ্বলের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায় ডিবি পুলিশ ।
/জেইউ/ এপিএইচ/