ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিন ছিল আলোচনা ‘দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড ডিসঅর্ডার।’ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শুরু হয় আলোচনা। আলোচনা করেন ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান, ম্যাক্স রোডেনব্যেক, বেন জুদাহ, রোজামুন্ড উরউয়িন। সঞ্চালনা করেন জাস্টিন রোলাট।
এ সময় আলোচনায় উঠে আসে বৈশ্বিক নানা বিষয়। বিশেষ করে ব্রেক্সিট, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্যাম্পের বিজয় এবং ফেসবুকের সামাজিক প্রভাব। শুধু বিশ্বই নয়, আলোচনা হয় বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়েও।
আলোচনার প্রথম দিকে জাফর সোবহান বলেন, বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি চীন ও রাশিয়া অর্থনীতির বিষয়ে।
রোজামুন্ড তার আলোচনায় বলেন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ও ট্রাম্পের বিজয় নিয়ে। তিনি জানান ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না। নির্বাচনে ফেসবুকের প্রভাব উল্ল্যেখ করে তিনি বলেন, ‘ফেসবুক একটি শক্তিশালি মাধ্যম। ট্রাম্প তার প্রচারণায় এর যথাযথ ব্যবহার করেছেন।’
এসময় বৈশ্বিক নানা সমস্যার পাশাপাশি জাফর সোবহান বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘আমাদের এখানকার শ্রমিক শ্রেণি অনেক বেশি বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যবৃত্তের আছে বেকারত্বের সমস্যা।’
এ সময় সঞ্চালক জাস্টিন রোলাট বলেন, ‘বিশ্বে অর্থনীতি একটি অনিরাপদ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে চীন একটি বড় শক্তি হিসেবে দাড়িয়েছে। তারা বড় ধরণের বিনিয়োগও করছে।’
বেন জুদাহ কথা বলেন জনসাধারণের ওপর ট্যাক্সের প্রভাব নিয়ে। এ সময় উঠে আসে ভারতের বিষয়ও। যেখানে মাত্র ১ শতাংশ লোক ট্যাক্স পরিশোধ করে।
রোজামুন্ড সাম্প্রতিক সময় প্রসঙ্গে বলেন, ‘একটা বাজে বছর অতিবাহিত করছি। ট্রাম্পের বিজয়, বেক্সিটে এসব বিষয়গুলো বেশ প্রভাব ফেলবে। এছাড়া ইউরোপে বর্তমানে মধ্যবৃত্ত জনগণ একটি অস্থিতিশীল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’
জাফর সোবহান বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের এখানে কাজের সুযোগ কমে যাচ্ছে, বেকারত্ব বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনও একটি বড় সমস্যা। অন্যদিকে ট্রাম্পের আগমনে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক প্রভাবেরও আশঙ্কা রয়েছে।’
/এনএ/