‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থা ভালো’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ(টিআইবি)পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক নিয়োগ ব্যবস্থা ভালো বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক নিয়োগ: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গবেষণা তুলে ধরে তিনি একথা জানান।
গত ১৮ ডিসেম্বর একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে টিআইবি জানায়, দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক নিয়োগে আর্থিক দুর্নীতিসহ নানা অনিয়ম করা হয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ থেকে ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে প্রভাষক নিয়োগে। তবে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে এ দুর্নীতি হয়েছে তা প্রকাশ করতে নীতিগতভাবে অসম্মতি জানায় সংস্থাটি।
টিআইবির গবেষণা তথ্য তুলে ধরার পর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নেই। নিয়োগ পদ্ধতিও উন্নত। এতে একমত পোষণ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সবকয়টি ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিলে বিশ্ববিদ্যালয় চলবে না, সেটি বিবেচনা করেই তারা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির আশ্রয় নেয় না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল রাজনীতি হয়। তবে তা যেনও আদর্শের রাজনীতি হয়, সহিংসতার রাজনীতি যেন না হয়। দলভিত্তিক সহিংস রাজনীতি আমরা চাই না।’

প্রভাষক নিয়োগে অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আদর্শ মেনেছে বলেও উল্লেখ করা হয় টিআইবির প্রতিবেদনে। এ বিষয়ে সৈয়দ মঞ্জুরুল বলেন, ‘কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন, সেটি আমাদের জন্য আদর্শ।’



/এসএমএ/এমও/