পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে দিয়ে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। তাতে তিন জন আরোহী ছিল। ওই এলাকায় দায়িত্বরত ছিলেন চার জন পুলিশ। তারা মোটরসাইকেলটিকে থামার সিগন্যাল দিলে আরোহীদের একজন এসিড ও পাউডার ছুঁড়ে মারে। এতে আহত হন বংশাল পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল রফিকুল।
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। এটা দেখে সন্দেহ হয়। সে কারণেই মোটরসাইকেলটিকে থামার জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়। কিন্তু থামার পরই আরোহীদের একজন এসিড নিক্ষেপ করে।’
আটক ব্যাক্তির নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি জানিয়ে ওসি নূরে আলম বলেন, ‘আটক ব্যক্তি একেক সময় একেক পরিচয় বলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার পরিচয় জানা যাবে।’
এ ঘটনায় আহত কনস্টেবল রফিকুলকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিক্যাল সূত্রে জানা গেছে, আহত রফিকুলকে হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের অবজারবেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তার মুখে একাংশ ঝলসে গেছে।
আরও পড়ুন-
ফের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে ডিএমপির মোবাইল কোর্ট, দৃশ্যমান ফল নেই
‘বইমেলার প্রতিটি ইঞ্চি থাকবে সিসিটিভির আওতায়’
/আরজে/এআইবি/টিআর/