সংবাদ সম্মলনে বলা হয়, ‘বিধানটি নারীর প্রতি যৌন, শারীরিক নির্যাতন ও সহিংসতাকে উৎসাহিত করবে। আইনটিতে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ের ক্ষেত্রে বাবা-মার এবং আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান থাকলেও বিয়ের বিষয়ে শিশুর সম্মতি নেওয়ার ব্যাপারে কোনও কিছুই বলা হয়নি। এই বিষয়টি যেমন হতাশাজনক এবং শিশু অধিকার লঙ্ঘন।’
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সিনিয়র উপপরিচালক রওশন জাহান পারভীন। তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ বিল ২০১৭ এর বিধানটি নারীর প্রতি যৌন, শারীরিক নির্যাতন ও সহিংসতাকে উৎসাহিত করবে। এছাড়া সমাজের এক শ্রেণির অসাধু মানুষ ব্যালবিবাহকে আরও উৎসাহিত ও আইনের অপব্যবহার করার চেষ্টা করবে।’
বিধানে অনেক অসংগতি রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিশেষ বিধানে ১৮ বছরের নিচে সকল শিশুকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বলা হয়েছে। অন্যদিকে বিয়ে দেওয়ার নির্ধারিত কোনও বয়সের নির্দেশনা নেই। আবার আইনে শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে অথচ সর্বোত্তম স্বার্থ বলতে কি বুঝানো হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট কোনও ব্যাখ্যা নেই।’
সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এসময় সংগঠনের অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
/আরএআর/এমও/