বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল।
আর আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এবিএম আলতাফ হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান,জরিমানার টাকা তিন কিস্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত জরিনা বেওয়ার পরিবারকে দিতে বলেছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক দুই স্ত্রী থাকা অবস্থায় বিয়ে করেন একই গ্রামের হালিমা খাতুনকে। সতীনের ঘরে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে হালিমা এক পর্যায়ে স্বামীকে তালাক দেন।
ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১০ সালের ১৪ নভেম্বর গভীর রাতে তার প্রাক্তন স্ত্রীর হতদরিদ্র বাবার বাড়ির টিনের ছাপড়া ঘরের বেড়া ভেঙে এসিড নিক্ষেপ করেন রাজ্জাক। ওই রাতে হালিমা ঘরে ছিলেন না। এসিডে তার মা জরিনা বেওয়া ও ভাগ্নী খুশি খাতুনের শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়।
এ ঘটনার রাজ্জাকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শুনানি শেষে কুড়িগ্রামের এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাজেদুল করিম ২০১১ সালের ২৬ জুন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি খালাস চেয়ে আপিল করেন আব্দুর রাজ্জাক।
/এমটি/জেএইচ/