মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, ‘যাচাই কমিটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ও ওষুধ প্রশাসনের একজন রাখার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ২০১৫ সালে যে বিশেষজ্ঞ কমিটি ছিল, সেখান থেকেও একজনকে রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।’
এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই ২৮টি কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন একই হাইকোর্ট বেঞ্চ। দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্যসচিব, শিল্পসচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের মহাপরিচালক, ওষুধ উৎপাদন মালিক সমিতির সভাপতি, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও র্যা বের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলেন আদালত।
এর আগে, একই হাইকোর্ট বেঞ্চের নির্দেশে ২০টি কোম্পানির সব ধরনের ওষুধ ও ১৪টি কোম্পানির সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মানসম্মত ওষুধ উৎপন্ন না করায় এসব কোম্পানির লাইসেন্সও বাতিল করেন হাইকোর্ট।
উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া ২৮টি ওষুধ কোম্পানি হচ্ছে— অ্যামিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এজটেক ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেঙ্গল টেকনো ফার্মা লিমিটেড, বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ডিসেন্ট ফার্মা লিমিটেড, ডা. টিমস ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, গ্লোবেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, গ্রিনল্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইনোভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ম্যাক্স ড্রাগস লিমিটেড, ম্যাডিমেট ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, মডার্ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, মিসটিক ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, অর্গানিক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, ওয়েস্টার ফার্মা লিমিটেড, প্রিমিয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, প্রাইম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সীমা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, হোয়াইট হর্স ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, মমতাজ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইউনিকফার্মাসিউটিক্যালস লি., ইউনাইটেড কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এফএনএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ইউনিট-১, ইউনিট-২, ইউনিট-৩।
/এমটি/ইউআই/টিআর/