আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই রিট আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
আইনজীবী জাকির হোসেন বলেন, ‘রিট আবেদনে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টিও আনা হয়েছে। কারণ, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে তা সুন্দরবনের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাছাড়া এর আশপাশে যেসব শিল্প কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও সুন্দরবনের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।’
সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ ফরিদুল ইসলামের দায়ের করা রিট আবেদনে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট ও এর আশপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। প্রজ্ঞাপন অনুসারে, সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকায় ভূমি, পানি, বায়ু ও শব্দ দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকাতেও পরিবেশ অধিদফতর এরই মধ্যে প্রায় দেড়শ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্প করার জন্য অবস্থানগত ছাড়পত্র দিয়েছে। এর মধ্যে জাহাজ ভাঙা শিল্পসহ পরিবেশ দূষণকারী বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প রয়েছে। আবেদনে আরও বলা হয়, এসব শিল্পকারখানা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়াটা সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদ ও পরিবেশ আইন ১৯৯৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
/এমটি/ইউআই/টিআর/