বনানীর ধর্ষণ মামলার আসামিদের মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি

বনানীতে দুই তরুণী ধর্ষণ মামলার পাঁচ আসামি (বাঁ থেকে) সাফাত, নাঈম, সাদমান, বিল্লাল ও রহমতবনানীর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার আসামিদের ছয়টি মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন এই অনুমতি দেন।

সংশ্নিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধক উপ-পরিদর্শক আবদুল মান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় আসামিদের মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। সে অনুযায়ী মোবাইল ফোনসেট সিআইডি’র ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর জন্য শনিবার আদালতে অনুমতি চাওয়া হয়।এছাড়া আসামি নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ শাখার উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান জানান, ‘বনানীর ধর্ষণ মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কিছু ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন। তাই আজ (শনিবার) আদালতের কাছে এসব ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস পরীক্ষার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলে সেগুলো ল্যাবে পাঠানো হবে।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বনানীতে ধর্ষণের শিকার দুই শিক্ষার্থীর ছবি ফেসবুকে যারা প্রকাশ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ২৮ মার্চ রাতে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। ঘটনার প্রায় ৪০দিন পর গত ৬ মে তারা বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় সাফাত আহমেদ, সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়ি চালক বিল্লাল হোসেন ও বডিগার্ড রহমত আলী ওরফে আজাদকে আসামি করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে সব আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

/এসআইটি/বিএল/