আদালতে বিল্লাল হোসেন জানায়, ‘গাড়ি চালানো অবস্থায় যা শুনেছি, তাতে কাছে মনে হয়েছে ধর্ষণের শিকার তরুণীদের সঙ্গে বিভিন্ন কৌশলে আপস করতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছে। কখনও ভয় দেখানো হয়েছে, কখনও টাকার প্রলোভন দিয়ে চুপ থাকতে বলা হয়েছে।’ ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করতে বললেও লজ্জায় সে করেনি উল্লেখ করে বিল্লাল বলে, ‘ভিডিও ধারণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি ধারণ করিনি। তবে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ধারণ করেছি।’
এর আগে গত ১৮ মে ছয় দিনের রিমান্ডের একদিন বাকি থাকতে সাফাতকে এবং পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে সাদমানকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। স্বীকারেক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে বিল্লালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করার অভিযোগ করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর বিল্লাল ভিডিওটি মুছে ফেলে বলেও জানিয়েছে। এদিকে মামলার পঞ্চম আসামি নাঈম আশরাফকে গত বুধবার রাতে মুন্সীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ওইদিন ঢাকা মহানগর পুলিশের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘রিমান্ডে চার আসামি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে ‘স্বীকার করেছে’, এখন তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য তারা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিল্লালকে আদালতে হাজির করা হলে তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
গত ৬ মে বনানী থানায় দায়ের করা এজাহারে বলা হয়েছে, ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের দাওয়াতে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। বাকি তিনজন তাদের সহযোগিতা করে।
/এসএমএন /ইউআই/এমএনএইচ/