সোমবার (৩১ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া রুল এবং মামলার ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ বাতিল করে এ আদেশ দেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান ও একেএম ফজুলল হক। অন্যদিকে আব্দুল ওহাবের পক্ষে ছিলেন আব্দুল বাসেত মজুমদার ও ব্যারিস্টার আমিনুল হক।
পরে খুরশিদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওহাবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ আজ (সোমবার) আপিল বিভাগ বাতিল করে দিয়েছেন। ফলে যশোরের স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা চলতে কোনও বাধা নেই।’
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল আব্দুল ওহাবের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮১০ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত এবং ৮৯ লাখ ৯২ হাজার ৬৭৭ টাকার মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করে দুদক।
যশোর স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ অবস্থায় মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন আব্দুল ওহাব।আদালত আবেদনটির ওপর শুনানি নিয়ে গত ১৮ এপ্রিল নামঞ্জুর করেন।
পরে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করলে গত ১১ জুলাই বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।
হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে গত মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে দুদক। পরের দিন চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য আপিলের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। সোমবার আপিল বিভাগ শুনানি করে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করে এ আদেশ দেন।
/এমটি/এপিএইচ/
আরও পড়ুন: সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকা, মুসার বিরুদ্ধে মামলা