আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রবিবার এই মামলায় আদালত পরিবর্তন চেয়ে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। বর্তমানে ঢাকা বিশেষ জজ আদালত ৫-এ এই মামলার বিচারকাজ চলছে। এর আগেও খালেদা জিয়ার আবেদনে এই মামলায় আদালত পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
জিয়া অরফানেজ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ টাকা এসেছে সৌদি আরব থেকে। প্রকৃতপক্ষে এই অর্থ কুয়েতের আমির অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য দিয়েছেন। এই অর্থের লাভসহ প্রায় পৌনে ৬ কোটি টাকা এখনও ট্রাস্ট ফান্ডে জমা রয়েছে।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করতে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
খালেদা জিয়া ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন— বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান।
আরও পড়ুন-
মেয়ে যাবে সেফ হোমে, মা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে
ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে ক্ষুব্ধ সরকার, ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য প্রত্যাহারে আবেদন করা হবে
/এমটি/টিআর/