নিহত হাবিবুর রহমানের বন্ধু নাজমুল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হাবিবুর সাভারের হেমায়েতপুরে একটি গার্মেন্ট কারখানায় কাজ করেন। বুধবার (৯ আগস্ট) রাত ১০টায় কর্মস্থল থেকে শাহ আলী থানার নবাবেরবাগ গোদারাঘাটের বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে শাহ আলী মাজারের সামনে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে রাত ১২টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, আাদাবর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলম জানান, শেখেরটেকের ৮নং রোডের ১০৫নং বাড়ির একটি টিনশেড বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন পটুয়াখালীর দিনমজুর সিদ্দিক মোল্লা। তার মেয়ে সীমা আক্তার একটি গার্মেন্ট কারখানায় কাজ করতেন। বুধবার দুপুরে সীমা আক্তার গার্মেন্ট থেকে বাসায় ফেরেন। সিদ্দিক মোল্লা বিকালে বাসায় এসে দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনেও সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সীমার মরদেহ ঝুলন্ত দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাত ১২টায় ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবারের বরাত দিয়ে এসআই খোরশেদ আলম আরও জানান, দুই বছর আগে সীমা আক্তারের বিয়ে হয়েছিল। ৩ মাস ২৬ দিন সংসার করার পর বিবাহবিচ্ছেদ হয় তার। এরপর থেকে বাবার সঙ্গেই ছিলেন সীমা। তবে তিনি কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন, তা নিশ্চিত নয় তার পরিবার।
আরও পড়ুন-
ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৬ যাত্রী নিহত
ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণ, কৌশলে গর্ভপাত
/এআইবি/টিআর/