এই জালিয়াতি ঠেকাতে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জরুরি আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনয়র সহকারী সচিব মো. শামসুল আলমের সই করা আদেশে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক, পুলিশ মহাপরিদর্শক ও বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জালিয়াত চক্রকে আইনের আওতায় আনারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়, মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের সব চেয়ারম্যান, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব উপ-পরিচালক, দেশের সব শিক্ষা অফিসে এবং দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামে পাঁচ টাকা করে আদায় করতে উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নামে ভূয়া পত্র জারি করে। ওই চিঠিতে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব নম্বর SHAH ALAM 7017015039530, e-mail: shekhhasina67@gmail.com উল্লেখ আছে।
আদেশে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ ধরনের কোনও পত্র জারি করা হয়নি। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে জালিয়াত চক্র এ ধরনের কাজ করেছে। জনস্বার্থে এ চক্রকে আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের বিষয়ে সতর্ক করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই গণবিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছিল, জাল করে পত্র জারি করেছে একটি জালিয়াত চক্র।
আরও পড়ুন-
পদ্মা সেতুর নামে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় নয়