একইসঙ্গে ওইসব মামলার ওপর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশও তুলে নিয়েছেন আদালত। ফলে এসব মামলা চলতে আর কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা ও সূচিরা হোসাইন। মামলার বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম ফারুক।
এসব মামলার একজন বাদী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা শেখ শহিদ হোসেন। মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর দৈনিক আমার দেশে সজীব ওয়াজেদ জয় ও তৌফিক-ই-ইলাহী দরপত্র ছাড়াই শেভরনকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৫ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন মর্মে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে।
এই সংবাদ প্রকাশের পর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও কৃষক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জেলায় মামলা করেন মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম আদালতে মানহানির মামলা করেন শেখ শহিদ।