স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে আলেমরা সঠিক ইসলামের প্রচারের কারণে সমাজ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ অনেকাংশে কমে এসেছে। প্রচারের এ ধারা আলেম সমাজকে অব্যাহত রাখতে হবে। আলেমরা দেশের সব সমস্যায়ই আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাই প্রধানমন্ত্রী নিজেই আলেমদের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিজে নিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিনা কারণে বা অপপ্রচারের মাধ্যমে বাড়িঘরে হামলা তো দূরের কথা, কোনও মুসলিম কারণ ছাড়া কোনও লোকের গাছের পাতা পর্যন্ত ছিঁড়েন না। তাই বার বার রংপুর, ফরিদপুর, রামুসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কেন অন্য ধর্মের মানুষের ওপর হামলা হচ্ছে তা আলেমদেরই খতিয়ে দেখতে হবে। যারা আইন হাতে তুলে নিয়ে বিনা কারণে অন্যের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজ করে তারা ইসলামের শত্রু। তাই ইসলামের স্বার্থেই এই শত্রুদের খুঁজে বের করতে হবে আলেম সমাজকেই। এসব ইসলামবিরোধী নানা অপপ্রচারের মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বকেই বিভ্রান্ত করে দিচ্ছে।’
রংপুরে ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলাকারীদের অতি দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রংপুরের হামলায় জড়িতদের অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি সালাহ উদ্দীন, রমনা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মুখলেছুর রহমান, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের সহ-সভাপতি মো. আশরাফ আলী প্রমুখ।