মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসটিআইর মহাপরিচালক মো. সাইফুল হাসিব। সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান ও ‘ফর্টিফিকেশন অব এডিবল অয়েল ইন বাংলাদেশ (ফেজ-২)’ এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ তাসারফ হোসেন ফরাজী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিএসটিআইর পরিচালক (সিএম) প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলীসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বিএসটিআইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মতবিনিময় সভায় ভোজ্যতেল রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড, মেঘনা এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, টি. কে. গ্রুপসহ বিভিন্ন রিফাইনারি এবং প্যাকেজিং কোম্পানির প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
সভায় বিএসটিআই মহাপরিচালক বলেন, ‘ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধের উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো জনগণকে ভিটামিন ‘এ’-সমৃদ্ধ তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা। কিন্তু খোলাবাজার থেকে সংগৃহীত ভোজ্যতেলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’-এর পরিমাণ কম থাকে। তাছাড়া, ভোজ্যতেলের ব্যারেলে কোনও লেবেল না থাকায় সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করে তাকে পরামর্শ কিংবা নির্দেশনা দেওয়া বা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।এখন থেকে ভোজ্যতেলে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ করে তা বাজারজাত করতে হবে। প্যাকেটজাতকারী প্রতিষ্ঠানকে লেবেলে অবশ্যই ‘প্যাকেজ কমোডিটিস রুলস-২০০৭’ অনুযায়ী প্যাকেজিং এবং রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানের নামসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
বিএসটিআই মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘ভোজ্যতেলের মান এবং ভিটামিনের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য সাধারণ ড্রামের পরিবর্তে ফুডগ্রেড ড্রামে ভোজ্যতেল সরবরাহ করতে হবে। এছাড়া, ড্রামের পরিবর্তে ধীরে ধীরে কন্টেইনারে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হবে।’