এর আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আদালতে হাজিরা দেন। এই মামলার দুই আসামি আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হকের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদন বিচারাধীন থাকায় শুনানি পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী। অন্য আসামি এম কে আনোয়ারের মৃত্যু প্রতিবেদনও দাখিল না করায় আদালত শুনানি পেছানোর এ আদেশ দেন। খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই মামলায় অভিযুক্ত আসামির সংখ্যা ১৩ জন। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ১১ জন।
উল্লেখ্য ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। পরবর্তীতে দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল কাসেম ওই বছরের ৫ অক্টোবর খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়ে চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ করা হয় মামলাটিতে।