সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ বলেন, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আমাদের হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করে। তবে পাইলটের পেশাদারিত্বে আমার প্রতিনিধি দল মুগ্ধ। কারণ এরূপ একটি ক্র্যাশ লেন্ডিংয়ের পরও আমরা সবাই নিরাপদ ও সুস্থ আছি। এছাড়া, অবতরণের ৫ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের উদ্ধারকারী দল আমাদের সুস্থভাবে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। সেনা প্রধানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আমাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন।
এ সময় বাংলাদেশ সেনা প্রধান বলেন, কুয়েত আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ, ঘটনার পরপরই আমি কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফের সঙ্গে কথা বলি। আমি তখন খুব চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ খালিদ আল খাদেরের সঙ্গে কথা বলার পর তার উচ্চ মনোবল দেখে আমিও তার মতো আশ্বস্ত হই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উড্ডয়ন নিরাপত্তা খুবই উন্নত।’
উল্লেখ্য, সৌজন্য সাক্ষাতের সময় সৌজন্য সাক্ষাতের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, কুয়েত নেভাল ফোর্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল খালিদ আহমেদ আব্দুল্লাহ, কুয়েত আর্মড ফোর্সের চিফ অব মিলিটারি অ্যাডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেজর জেনারেল আনোয়ার জাসিম আল মাজিদি, মুবারক আল আব্দুলাহ জয়েন্ট কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল আব্দুল্লাহ আবদুস সামাদ দাস্তি প্রমুখ।