ফার্মগেট এলাকা ঘুরে ম্যাবস কোচিং সেন্টার, ওরাকল বিসিএস কোচিং সেন্টার, সজীব একাডেমি কোচিং সেন্টার, উদ্ভাস, ইউনিএইড, সাইফুর’স, মেন্টরসসহ বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার বন্ধ পাওয়া গেছে। আজিমপুরের ই-হক কোচিং সেন্টার, মেধা বিকাশ একাডেমিক কোচিং সেন্টার, সমীকরণ একাডেমিক কোচিং সেন্টার, প্রত্যাশা একাডেমিক কোচিং সেন্টার, উদয় ক্যাডেট কোচিং সেন্টার, ও সিওসি কোচিং সেন্টারও বন্ধ দেখা গেছে।
ফার্মগেটের তেজতুরী পাড়ায় গিয়ে সজীব কোচিং সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) থেকেই কোচিং সেন্টারটি বন্ধ রয়েছে। শুনেছি সরকার বন্ধ করে দিয়েছে।’
আজিমপুরের উদয় ক্যাডেট একাডেমি কোচিংয়ের পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ‘আমরা সরকারের আদেশ মেনে চলছি। কোচিং সেন্টার বন্ধ রেখেছি। যদিও বিষয়টি কতখানি যৌক্তিক তা ভেবে দেখা উচিত।’
কয়েকজন অভিভাবকও এ বিষয়ে কথা বলেছেন। উম্মে সালমা বেগম নামের এক অভিভাবক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা চাকরি করি। বাসায় আমরা সন্তানকে সময় দিতে পারি না। বাধ্য হয়েই কোচিং সেন্টারে যেতে হয়। আমরাও চাই প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে যা যা করণীয়, সরকার করুক। কিন্তু কোচিং সেন্টার বন্ধ করে কি আদৌ প্রশ্নফাঁস রোধ করা সম্ভব? এটা আমার বুঝে আসে না।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘এইসব কোচিং সেন্টারের সঙ্গে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষকরা সরাসরি জড়িত। তারাই ওইসব কোচিং সেন্টারে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। এ কারণেই পরীক্ষা শুরুর সাত দিন আগে থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার পরীক্ষা শুরুর আধঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের শুধু কেন্দ্রেই নয়, তাদের নিজ নিজ আসনে গিয়ে বসার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষা চলাকালে একটি সীমিত সময়ের জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।