শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাকে আটক করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মইনুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শুল্ক কর্মকর্তারা জানান, আটক যাত্রী ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিমান MH 196 ফ্লাইটে রাতে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় আসেন। পাসপোর্ট চেক করে দেখা গেছে, তিনি চলতি মাসেই মালয়েশিয়া-ঢাকা রুটে তিন বার ও ২০১৭ সালে একই রুটে সাত বার যাতায়াত করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে যাত্রী জানিয়েছেন, স্বর্ণ কিনতে তিনি এসব মুদ্রা অবৈধভাবে বহন করছিলেন। এর আগেও তিনি চার বার বিদেশি মুদ্রা বহন করে স্বর্ণ চোরাচালান করেছেন। এসব স্বর্ণ তিনি তাঁতীবাজারে মিন্টু ঘোষ ও শাহজাহান নামে দুই ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন।
ডিজি মইনুল খান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই যাত্রীকে নজরদারিতে রাখে শুল্ক গোয়েন্দা। ইমিগ্রেশন পরবর্তী ৭ নম্বর বেল্ট এলাকা থেকে লাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বৈদেশিক মুদ্রা বহনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে গোপন সংবাদ থাকায় তাকে শাহজালালের কাস্টমস হলে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অবশেষে রাত ১টার দিকে যাত্রীর জুতা ও শরীর তল্লাশি করে তিন লাখ ২৭ হাজার মূল্যমানের সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশি টাকায় এসব মুদ্রার পরিমাণ ৭২ লাখ ৬২ হাজার ৬৭০ টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ব্যাপারে আটক যাত্রীকে শুল্ক আইন ও মানি-লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
ব্যাংক দেউলিয়া হলে আমানতকারীদের টাকা যেভাবে ফেরত দেওয়া হয়