খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের কপি পেয়েছে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ

সুপ্রিম কোর্টজিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের কপি পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে জামিন আবেদনের কপি সরবরাহ করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হবে। আপিল গ্রহণ হলে তখন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন করবেন তার আইনজীবীরা।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অপর আসামি তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে খালেদা জিয়ার পক্ষে আপিল আবেদন করা হয়। এরপর তা শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি নির্ধারিত বেঞ্চের ৬ নম্বর কার্যতালিকায় রাখা হয়। মঙ্গলবার বিকালে আপিল আবেদনটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মেনশন (উল্লেখ) করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। পরে আদালত আবেদনটির গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্যের আদেশ দেন।

১ হাজার ২২৩ পৃষ্ঠার আপিল দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এতে প্রাথমিকভাবে মোট ৪৪টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া আপিল আবেদনের ওকালতনামায় খালেদা জিয়ার পক্ষে মোট ২৮ জন আইনজীবীর স্বাক্ষর রয়েছে।