নিহতরা হলেন কাতারপ্রবাসী ইলিয়াস হোসেন (২৮), তার ছেলে ইনান (৮), ভাই মফিজ (৪৭), বোন মিনু আরা (৩৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনায়। ইলিয়াসের বাবা মৃত লতিফ মিয়া।
নিহত শুভ সাহার (১৮) গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ এবং নিহত হেনা আক্তারের (১৮) গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর।
ইলিয়াসের চাচাতো ভাই ওমর সানি ও মুরাদ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের শনাক্ত করেন। তারা জানান, ইলিয়াস ছুটিতে কাতার থেকে এসেছিলেন। আজ (সোমবার) তার কাতার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফ্লাইট মিস হওয়ায় গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইলিয়াসের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর (২৮) ও ভাতিজা রাজু (১৯)।
এর আগে শনাক্ত করা হয়েছে শুভ সাহা (১৮) নামের একজনকে। তার তার মা কাজল রানী সাহা আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ। বোনের বাড়িতে ফেরার পথে তারা দুর্ঘটনায় পড়েন।
এ ছাড়া আহত হেনাকে মদনপুর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার স্বামী মিজানুর রহমান এ ঘটনায় আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নিহত হেনার ভাই শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কেরানীগঞ্জে হেনা ও তার স্বামী তাদের বাসায় বেড়াতে এসেছিল। বাড়ি যাওয়ার পথে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।
সোমবার (২৬ ফেব্রয়ারি) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরিকে যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।