জানা গেছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্যের জন্য দিন ধার্য থাকলেও ওইদিন আদালতে কোনও সাক্ষী হাজির না হওয়ায় দুই চিকিৎসকসহ পাঁচজন সাক্ষীর প্রতি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘দুজন চিকিৎসকের জবানবন্দি নেওয়া হলে মামলাটি শেষ পর্যায়ে চলে যাবে। এরা হলেন তৎকালীন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শহিদুল ইসলাম ও সিএমএইচের চিকিৎসক মেজর ডা. সওকত হাসান।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৬ সালের ৫ জুন এই সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে শাহবাগ থানা ও ক্যান্টনমেন্ট থানায় পরোয়ানা পাঠান বিচারক। ৫৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এই পর্যন্ত ৪১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলা একাডেমির উল্টোদিকে ফুটপাতে সন্ত্রাসী হামলায় মারাত্মক আহত হন লেখক হুমায়ুন আজাদ। এ হামলায় পর তিনি ২২ দিন সিএমএইচে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসা নেন। ওই বছরের ১২ আগস্ট তিনি জার্মানির মিউনিখে মারা যান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়। ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান (সিআইডির পরিদর্শক) ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখিত আসামিরা হলো জেএমবির সূরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু।