মঙ্গলবার (৬ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তার পক্ষে আপিলটি (২২১৫/১৮) দায়ের করা হয় বলে সাংবাদিকদের এতথ্য নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়।
এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এতিমদের সহায়তা করার জন্য একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ মামলাটি তদন্ত করে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ অন্য চার জনকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকালে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দায়ের করেন। পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আইনজীবীদের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। সেদিন খালেদা জিয়ার জরিমানা স্থগিত করে বিচারিক আদালতের নথি ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি জামিন শুনানি শেষে বিচারিক আদালতের নথি পৌঁছার পর হাইকোর্ট জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।
উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর ও দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে সালিমুল হক কারাগারেই আছেন।