মমতাজ বেগম বলেন, ‘সর্ব প্রথম নারী শ্রমিককে শ্রমিকের মর্যাদা দিতে হবে। কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ নারী-পুরুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমতাভিত্তিক অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে নারীর যাত্রাকে ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে নারীকে ক্ষমতায়িত করতে হবে। এর পাশাপাশি ট্রেড ইউনিয়নে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।’
আওয়াজ ফাউন্ডেশনের প্রবাসী পরিচালক আনিসুর রহমান খান বলেন, ‘সব শ্রমিককে আইনের অধিকার, বাঁচার মতো মজুরি, নির্যাতনমুক্ত কর্ম পরিবেশের নিশ্চয়তা সরকারকে দিতে হবে।’
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নাহিদুল হাসান অয়ন বলেন, ‘অর্থনৈতিক মুক্তির একমাত্র উপায় নারী-পুরুষের সমতা এবং কাজের মর্যাদা তথা নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ।’
সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খাদিজা আক্তার বলেন, ‘গার্মেন্টসে নারীরা অনেক নির্যাতন বঞ্চনা পেরিয়ে খানিকটা নিজের জায়গা করে নিতে পারলেও সবক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ নাই। বিশেষ করে যখন ম্যানেজমেন্ট কোনও কমিটি গঠন করে— তখন নারী শ্রমিকদের কথা তারা মাথায় আনেন না। আনার ব্যাপারে গুরুত্বও দেন না। তারা ভালো করেই জানেন, পুরুষের তুলনায় নারীদের দায়িত্ববোধ ক্ষমতা বেশি। কিন্তু, তারা জানলেও তা মানতে চাননা।’