বার্ন ইউনিটের আইসিইউ’তে কুয়েটের ৩ শিক্ষার্থী, অবস্থা আশঙ্কাজনক

ময়মনসিংহে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) তিন শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার ভোর ও সকালে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। দগ্ধ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

দগ্ধ হাফিজ, শাহীন ও দীপ্তবার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, দগ্ধ ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে মো. শাহীন মিয়ার শরীরের ৮৩ শতাংশ, মো. হাফিজুর রহমান হাফিজের ৫৪ শতাংশ ও দীপ্ত সরকারের ৫৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। এছাড়া তাদের সবারই শ্বাসনালী পোড়া, তিন জনকেই আইসিইউ’তে রাখা হয়েছে।

এর আগে, ময়মনসিংহে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) এক শিক্ষার্থী নিহত ও তিন জন আহত হন। কুয়েটের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার মনোজ কুমার মজুমদার জানান, কুয়েটের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষবর্ষের এই শিক্ষার্থীরা গত ১০ মার্চ থেকে স্কয়ার গ্রুপের একটি টেক্সটাইল মিলে ইন্টার্নি করছিলেন। তারা ময়মনসিংহের ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকার একটি ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় থাকতেন। দুর্ঘটনায় নিহত কুয়েট শিক্ষার্থী মো. তৌহিদুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ায়।

আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় কুয়েট ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া

সহপাঠী তুষার মাহমুদ জানান, আমরা সবাই ইন্টার্ন করছি ওরা ৪ জন ছিল ভালুকায়। আমরা অন্য আরেকটি টেক্সটাইলে ইর্ন্টান করছিলাম। রাতে সংবাদ পাই ওরা যেখানে ছিল, সেখানে বিস্ফোরণের ঘটনায় তৌহিদ ঘটনাস্থলে মারা গেছে।

এদিকে আহতদের দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর। এছাড়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছেন।