ভালুকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মো. শাহীন মিয়া

ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আহত তিন শিক্ষার্থীর একজন মারা গেছেন। নিহতের নাম মো. শাহীন মিয়া। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভালুকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ তিন শিক্ষার্থীকে ২৫ মার্চ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছিল। দগ্ধ তিন জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক।তাদের একজন মো. শাহীন মিয়া মারা গেছেন। তার পিতার নাম মৃত নুরুজ্জামান আকন্দ। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের শাহবাজপুর উপজেলার সাতবাড়ীয়া।

এর আগে বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল জানিয়েছিলেন, দগ্ধ তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে মো. শাহীন মিয়ার শরীরের ৮৩ শতাংশ, মো. হাফিজুর রহমান হাফিজের ৫৪ শতাংশ ও দীপ্ত সরকারের ৫৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। এছাড়া তাদের সবারই শ্বাসনালী পোড়া, তিন জনকেই আইসিইউ’তে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৪ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিকট শব্দে ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকা কেঁপে ওঠে। গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ছয় তলা ভবনের ৩য় তলার একটি কক্ষের পুরোটাই বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও তিন জন আহত হয়েছেন। নিহত তৌহিদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ায়। দুর্ঘটনায় দগ্ধরা হলেন- সিরাজগঞ্জের শাহীন, নওগাঁর হাফিজ ও মাগুরার দীপ্ত সরকার। তাদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। হতাহতরা খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে সদ্য মাস্টার্স শেষ করে ভালুকা মাস্টারবাড়ি এলাকায় একটি টেক্সটাইল মিলে ইন্টার্ন করছিলেন। চলতি মাসেই তারা ৯ হাজার টাকায় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন।

 এ সংক্রান্ত সংবাদ: 

ভালুকায় ভবনে বিস্ফোরণ: নিহত ১, আহত ৩

বার্ন ইউনিটের আইসিইউ’তে কুয়েটের ৩ শিক্ষার্থী, অবস্থা আশঙ্কাজনক