রূপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহ আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস শুক্রবার (০৬ এপ্রিল) রাতে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘এই মামলার আরেক আসামি সুমন হাসান পলাতক রয়েছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসামি সুমন হাসান ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের ১৫ নভেম্বর ধর্ষণ করে। এরপর গত ১৬ মার্চ রুপনগর থানা কৃষকলীগের সভাপতি হাজী হারুন ও তার সহযোগী জাহাঙ্গীর আলম মধু ভুক্তভোগী ওই নারীকে আবারও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে।পরে ভুক্তভোগী ওই নারী চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার থানায় উপস্থিত হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরিদর্শক মো. শাহ আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয় বলে ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করে। পরে বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে হাজী হারুন ও জাহাঙ্গীর আলম মধুকে গ্রেফতার করা হয়। আরেক আসামি সুমন তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।